যেখানে রাত আটটা নয়টার মধ্যে সকল মার্কেট এবং খাবার রেস্টুরেন্ট গুলো রাত দশটা থেকে ১১ঃ০০ টার মধ্যে বন্ধ হয়ে যায় সেখানে উত্তরা হাউজ বিল্ডিং মোড়ে অবস্থিত খিচুড়ি বাড়ি রেস্টুরেন্ট রাত দিন ২৪ ঘন্টা খোলা থাকে । বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় গভীর রাতে খোলা থাকার কারণে মাদক সেবীদের মাদক প্রয়োজন হলে তারা খিচুড়ি বাড়িতে আসে এবং যার কাছ থেকে মাদক ক্রয় করে সেও খিচুড়ি বাড়িতে আসে তারা আলাপচারিতার মধ্য দিয়ে খিচুড়িও খায় এবং মাদক আদান প্রদান করে পার্সেল এর মাধ্যমে নিয়ে যায়। প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের চোখ ফাঁকি দিয়ে বড়লোকের বখাটে ছেলেমেয়েরা গভীর রাত্রে খিচুড়ি খেতে এসেছে বিশালা এক স্ট্যাটাস এই বড়লোকি ভাব দেখে কেউ কোন কিছু মনে করে না কিন্তু খিচুড়ি খাওয়ার অন্তরালে চলে মাদকের ব্যবসা। এ বিষয়ে খিচুড়ি বাড়ি রেস্টুরেন্টের কর্মরত লোকজনের সাথে আলাপ করে জানা যায় রাত বারোটার পর খিচুড়িবাড়ি খোলা রেখে খিচুড়ি বিক্রি করার অনুমতি প্রশাসন কিংবা সংশ্লিষ্ট দপ্তর দিয়েছে কিনা তারা কোন সৎ উত্তর দিতে পারে না । মাত্র ৫ থেকে ৬০০ বর্গফুটের লম্বা এই খিচুড়ি বাড়ি রেস্টুরেন্ট দিনরাত খোলা থাকার কারণে সব সময় হাউজ বিল্ডিং মোড় খিচুড়ি বাড়ির সামনের রাস্তায় যানজট লেগে থাকে । এ বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এবং উত্তরা জোনের উপ-পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে যোগাযোগ করে জানা যায় রাত আটটা নয়টার মধ্যে সকল দোকান, মার্কেট বন্ধ করার নির্দেশনা রয়েছে। খাবারের হোটেলের বিষয়ে সর্বোচ্চ রাত্র ১১ টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। ফার্মেসি কিংবা প্রয়োজনীয় ওষুধের বিষয়ে বিশেষ নির্দেশনা রয়েছে। সেখানে খিচুড়িবাড়ি কর্তৃপক্ষ প্রশাসনের নাকের ডগায় ২৪ ঘন্টা দোকান খোলা রেখে একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী এবং মাদক ব্যবসায়ীদের কে অবাধে ব্যবসা করার সুযোগ করে দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ঢাকা শহরের সাধারণ দোকানপাট, মার্কেট ও শপিংমলগুলো সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত
খোলা রাখা যাবে। তবে উৎসব বা বিশেষ পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে দোকান মালিক সমিতির আবেদনের প্রেক্ষিতে সরকার এই সময়সীমা সাময়িকভাবে বাড়িয়ে থাকে।অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সময়সূচি:কাঁচাবাজার ও মুদি দোকান: সাধারণত সকাল থেকে রাত ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকে।ফার্মেসি: ওষুধ ও জরুরি সেবামূলক দোকান ২৪ ঘণ্টা বা নির্দিষ্ট শিফটে দিন-রাত খোলা রাখা যায়।রেস্তোরাঁ ও ফাস্টফুড: সাধারণত রাত ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত খাবার দোকানগুলো খোলা রাখার অনুমতি রয়েছে।
| | প্রকাশক ও সম্পাদক : আব্দুল্লাহ আল মামুন, ||