এবার ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঈদযাত্রায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের কমপক্ষে সাতটি স্থানে যানজটের শঙ্কা রয়েছে। তিনটি স্থানে পশুর হাট এবং অন্যান্য স্থানে তিন চাকার যানের অবাধ চলাচল ও অবৈধ স্থাপনার কারণে যানজটের এই শঙ্কা রয়েছে।
এসব পয়েন্ট যানজটমুক্ত করা না গেলে এ মহাসড়ক ব্যবহার করে উত্তর ও উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের ৩২টি জেলার যাত্রীদের ভুগতে হবে।
প্রতিবছর ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের ময়মনসিংহ নগরের পাটগুদাম ব্রিজমোড়, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বাইপাস মোড়, চুরখাই, বৈলর, ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ড, ভরাডোবা, ভালুকা বাসস্ট্যান্ড, স্কয়ার মাস্টারবাড়িসহ কমপক্ষে ১০টি পয়েন্টে যানজটের ভোগান্তি পোহাতে হয়। এর বাইরে গাজীপুরা বাজার ও মির্জাপুর সিএনজি হাটে কোরবানির পশুর বড় হাট বসায় প্রতিবছরই মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়।
গাজীপুরের বিআরটি প্রকল্প এলাকায় মহাসড়কের নিচের সড়কের প্রশস্ততা কমে যাওয়া, মহাসড়কের অনেক জায়গায় ভাঙাচোরাসহ অবৈধ স্থাপনা থাকায় যানজট তীব্র হয়।
ময়মনসিংহ অংশের ভালুকার ভরা এলাকায়, গাজীপুর জেলার গাজীপুরা বাজার ও মির্জাপুর সিএনজি হাটে কোরবানির বড় হাট বসছে। প্রতিবছরই কোরবানির ঈদে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে গাজীপুরের দুই পশুর হাটের কারণে যানজটের সৃষ্টি হয়।
গাজীপুর মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উপকমিশনার মো. আশরাফুল আলম আমার প্রানের বাংলাদেশকে বলেন, মহাসড়কের বোর্ডবাজারের মির্জাপুর সিএনজি পাম্পের ভেতর এবং বড়বাড়িতে দুটি অস্থায়ী পশুর হাট বসলেও ইজারাদার নিশ্চিত করেছেন, মহাসড়কে পশুর ট্রাক থামাবেন না। তাই ওই সব স্থানে যানজটের আশঙ্কা নেই।
ভারি বৃষ্টিপাত হলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের কয়েকটি স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। অনেক স্থানে সড়ক ডুবে যায়। সে ক্ষেত্রে যানবাহন চলাচলে সমস্যা হতে পারে।
ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আব্দুল্লাহ আল মামুন দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশকে বলেন, ঘরমুখো মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রায় এক হাজার পুলিশ দায়িত্বে থাকবে।
সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত মেরামত, সড়কের পাশের অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ, সড়কের ধারে অনিয়মিত পার্কিং বন্ধ ও নির্ধারিত স্থান ছাড়া যাত্রী ওঠানামা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ নজরদারি করতে চায় পুলিশ। এ ছাড়া দ্রুতই বাস র্যাপিড ট্রানজিটের (বিআরটি) সব ধরনের সংস্কার ও উন্নয়নকাজ সাময়িক বন্ধ রাখা হবে।
| | প্রকাশক ও সম্পাদক : আব্দুল্লাহ আল মামুন, ||