প্রিন্ট এর তারিখঃ মে ১৬, ২০২৬, ৫:১১ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ মে ১৪, ২০২৬, ১:০৭ অপরাহ্ণ
ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ ভবনেই বিচার কার্য পরিচালিত হয় চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় অবস্থিত সাতকানিয়া আদালতে।

রাষ্ট্র ক্ষমতার পালাবদলের সাথে বাংলাদেশের সব আদালতের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও চট্টগ্রামের সাতকানিয়া আদালতের অবকাঠামোগত কোন উন্নয়ন হয়নি।যেমন যেই লাউ সেই কধু।১৮৮৪ সালে নির্মিত চট্টগ্রামের সাতকানিয়া আদালত ভবনটি বর্তমানে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, জরাজীর্ণ ও বেহাল দশায় রয়েছে। ব্রিটিশ আমলের এই ভবনটিতে বর্ষাকালে পানি জমে থাকে এবং বিচারকদের বাসভবন পরিত্যক্ত ঘোষিত হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কার্যক্রম চলছে। ১৫হাজারেরও বেশি মামলা বিচারাধীন থাকলেও ভঙ্গুর অবকাঠামোর কারণে বিচারক ও আইনজীবীরা চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন।সাতকানিয়া আদালতের বেহাল দশার মূল দিকগুলো হচ্ছে জরাজীর্ণ ভবন, দীর্ঘ এক শতাব্দীরও বেশি পুরনো ভবনটি সংস্কারের অভাবে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিচারকদের জন্য নির্ধারিত যে বাসস্থান আছে সেটিও পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হলেও ঝুঁকি নিয়ে সেখানেই থাকতে হচ্ছে।বিচারক সংকট ও বদলি উপযুক্ত আবাসন ও কর্মপরিবেশ না থাকায় বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তারা এখানে থাকতে চান না, ফলে বদলি হয়ে চলে যাওয়ার প্রবণতা বেশি।ঝুঁকিপূর্ণ বিচারকার্য জরাজীর্ণ ভবনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হাজার হাজার দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলার বিচারকাজ চলছে।আদালত সংলগ্ন রাস্তাগুলোর অবস্থাও নাজুক, যা যাতায়াতে ভোগান্তি বাড়ায়।নেই কোন গণ শৌচাগার তাই আদালতে আসা ব্যাক্তিরা বিড়ম্বনার শিকার হত হয়।নেই আদালতে আসা বিচার প্রার্থীদের বসার স্থান।গাড়ি পার্কিংয়ের কোন ব্যবস্থা না থাকাই যে যার যার মত করে যেখানে ইচ্ছে সেখানে গাড়ি পার্কিং করে।বর্ষাকালে বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যায় আদালত এলাকা।এমনকি বর্ষাকালে বিচারক আইনজীবীসহ আদালত সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের কষ্টের সীমা থাকেনা।তাদেরকে বন্যার পানির ভয়ে আদালতে পাহারা বসিয়ে নির্ঘুম রাত কাঠাতে হয়।বহুতল ভবন নাথাকার কারণে গুরুত্বপূর্ণ কাগজ পত্র বন্যার পানিতে নষ্ট হওয়ার আশংকাও বেড়ে যায়। আইনজীবীদের মতে, স্বাধীনতার এত বছর পরও এমন জরাজীর্ণ পরিবেশে বিচারকার্য পরিচালনা অমানবিক। অবিলম্বে নতুন ও আধুনিক আদালত ভবন নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি।
এব্যাপারে সাতকানিয়া আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রাশেদুল ইসলাম বলেন সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিভিন্ন উন্নয়নের কথা বললেও আদালতের বৈশিষ্ট্য অনুসারে আদালতের কোন উন্নয়ন হয়নি।কোন রকম জোড়া তালি দিয়ে আদালতের কার্যক্রম চলছে।
| | প্রকাশক ও সম্পাদক : আব্দুল্লাহ আল মামুন, ||
দুঃখিত আপনি এই সাইট থেকে কন্টেন কপি করতে পারবেন না। দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ ওয়েব সাইট থেকে কন্টেন কপি করা আইনানুক অপরাধ। ধন্যবাদ