বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন, পরবর্তীতে লোকলজ্জার ভয়ে বিয়ে করলেও স্ত্রীর মর্যাদা না দিয়ে উল্টো হত্যার হুমকির অভিযোগ উঠেছে রিয়াদ হোসেন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী সাবিনা ইয়াসমিন রিমু নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার নতুন বাজারের চরকাঁকড়া এলাকার বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরে বিচারের আশায় পুলিশ ও আদালতের দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
ভুক্তভোগী সাবিনা জানান, রিয়াদ হোসেন ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন তাকে বিভিন্নভাবে বিয়ের প্রস্তাব দেন। একপর্যায়ে রিয়াদ তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয়দের চাপে ২০১৭ সালের ৬ জানুয়ারি তাদের ১০ লক্ষ টাকা কাবিনে বিয়ে হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের কয়েক মাস পরই কৌশলে কাবিননামা পরিবর্তন করে তা মাত্র ৩ লক্ষ টাকায় নামিয়ে আনা হয় এবং বিয়ের তারিখও জালিয়াতি করা হয়।
সাবিনা অভিযোগ করেন, বিয়ের পর রিয়াদ তাকে স্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে ঘরে তুলে নেননি। উল্টো ২০১৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে রিয়াদের বড় ভাই সাদ্দাম হোসেনের নেতৃত্বে প্রায় ২০ জন লোক গভীর রাতে সাবিনার বাড়িতে হামলা চালায়। তারা বাড়ির পেছনের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে সাবিনাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। সাবিনার দাবি, রিয়াদের নির্দেশেই এই হামলা চালানো হয়েছে।
ভুক্তভোগী নারী আরও জানান, রিয়াদের চাচাতো ভাই লিটন বিভিন্ন সময় রাস্তায় তাকে গতিরোধ করে গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে আসছে। এসব বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দিলেও পুলিশের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায়নি বলে তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেন।
বর্তমানে
ভুক্তভোগী সাবিনা এখন আইনি অধিকার ফিরে পেতে এবং নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
| | প্রকাশক ও সম্পাদক : আব্দুল্লাহ আল মামুন, ||