শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের বিশগিরিপাড়া গ্রামে শনিবার রাতে ঝরের তান্ডবে অসহায় পুঙ্গ মিঠুর একমাত্র থাকার আশ্রয়স্থল আধা-কাঁচা বাড়ির পুরাতন টিনের চালা বাতাসে উরে গেলেও আজ বৃহস্পতিবারেও কোনো সাহায্যের হাত কেউ বাড়ায়নি ।
পুরাতন টিনসেটের গড়টি ভেঙ্গে যাওয়ায় মিটুর চখে মুখে শুধু হতাশার ছাপ।স্ত্রী সন্তান নিয়ে কোনমতে দিনাতিপাত করছে মিঠু। মিঠুর একপায়ে সমস্যা থাকায় ঠিক মতো কাজ করতে না পারায় ছেলে চেষ্টা করছেন সংসারের হাল ধরতে। ছেলের বয়সটাও কাজের নয়। ১৫ বা ১৬ বছর বয়সে দ্বায়িত্ব নিতে হচ্ছে বাবা মায়ের সংসার টিকিয়ে রাখতে।
প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার সাংবাদিক সরজমিন করতে গেলে মিঠু হাউ মাউ করে কাঁদতে থাকে এবং তিনি বলেন, আমার একটাই থাহনের গড়, স্ত্রী ও এক পুলা এক মাইয়া লয়া থাহি। আল্লাহ কি যে গজব দিলো আমার উপরে আমি এহন কেমনে কি করমু এতো টেহা কই পামু। সরকার যদি আমারে একটু সহযোগিতা করতো তাইলে বালা অইতো। সবাই ঈদে আনন্দ করবো আমার এই ভাঙ্গা গড় নিয়া ঈদ কাটাইতে ওইবো।
বিশগিরিপাড়া গ্রামের মিঠুর প্রতিবেশী বেশ কয়েকজন মিঠুর পক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন। সকলের একটাই দাবি, মিঠুকে যেন উপজেলা প্রশাসন বা সরকার থেকে সহযোগিতা করা হয়।
| | প্রকাশক ও সম্পাদক : আব্দুল্লাহ আল মামুন, ||