আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইরান ও ইসরায়েলের চলমান উত্তেজনা ও সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতিকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে বাংলাদেশের কিছু অসাধু পেট্রোল পাম্প মালিক অকটেন ও পেট্রোল বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেল ও গাড়িচালকসহ সাধারণ মানুষ।
বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে, মোটরসাইকেল বা গাড়ি নিয়ে পেট্রোল পাম্পে গেলেই চালকদের বলা হচ্ছে—“তেল নেই”। অথচ অনেক ক্ষেত্রে গোপনে মজুত রেখে পরবর্তীতে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে তেল সরবরাহ বন্ধ রাখা হচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগীরা।
হঠাৎ করে পেট্রোল ও অকটেন না পাওয়ায় অফিসগামী মানুষ, পরিবহন চালক ও সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা পাম্পে ঘুরেও জ্বালানি পাচ্ছেন না।
ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করে বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিকে পুঁজি করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। এতে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জ্বালানি মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সচেতন নাগরিকরা। তারা বলছেন, যারা ইচ্ছাকৃতভাবে তেল মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
সাধারণ মানুষের দাবি, দ্রুত বাজার তদারকি জোরদার করে পেট্রোল পাম্পগুলোতে স্বাভাবিকভাবে জ্বালানি বিক্রি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ আর ভোগান্তির শিকার না হন।
| | প্রকাশক ও সম্পাদক : আব্দুল্লাহ আল মামুন, ||