জামাতি ইসলাম এর মনোনীত প্রার্থী শফিউল আলম সুফি এর স্ত্রী বাগদহ বাজারের পাশে তার বান্ধবীর বাসায় দাওয়াত খেতে যান। বাড়ি না চেনায় রাস্তার এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করেন।
এমন সময় বিএনপি'র কিছু নেতা দেখতে পান এবং বলেন নির্বাচন প্রচারণা শুরু হবার আগেই জামাত ইসলাম নির্বাচন প্রচার করছেন কেন?এই নিয়ে কথা জের ধরে দুই পক্ষের লোক এসে সংঘর্ষ সৃষ্টি করেন।সংঘর্ষে দুই দলের মোট পাঁচজন আহত হন।
তাদের মধ্যে কেউ একজন দেবিগঞ্জ থানায় ফোন করে বলেন। তৎক্ষণাৎ বাংলাদেশ যৌথবাহিনী ও পুলিশসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং তা নিয়ন্ত্র করেন।
জামাত ও বিএনপি দলের মধ্যে তিনজন করে ৬ জন নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদুল হাসান নির্দেশনায় বাংলাদেশ যৌথ বাহিনী বৈঠক করেন। বৈঠকে আহত সুজন বলেন:আগাম নির্বাচনী প্রচার করছেন তারা এই নিয়ে আমি কিছু বলতে গেলে তারা আমাকে মারধোর করেন।
এদিকে চেংঠি ইউনিয়নের বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রবিউল ইসলাম রবি বলেন :জামাতের সেক্রেটারি সাহেবকে দেখে আমি গাড়ি আটক করি। যেহেতু তারা দুই জায়গায় মিটিং করতেছে। গাড়ি আটক করে জিজ্ঞাসা করলে তারা বলেন আমরা দাওয়াত খেতে যাচ্ছি। আমি তখন বলি যতটুকু জানি সুফি সাহেবে মিটিং করতেছেন। আজ শুক্রবার জামাতের প্রার্থী সুফি সাহেব ৮ নং দন্ডপাল ইউনিয়নে ২নং ওয়ার্ডে তিনটি উঠান বৈঠক করেন।
উভয় পক্ষের বৈঠকে জানা যায়।মাহমুদুল হাসান বলেন আমরা সবাই মিলে আগের মত কাজ করব আগামী ২২ তারিখ এর পরে নির্বাচন প্রচার করব।দুইদলের কাছে লিখিত উপযুক্ত প্রমাণ চাইলে তারা দিতে পারে না। উপযুক্ত লিখিত প্রমাণ না থাকায় আপোস করা হয়। পরিশেষে দুই দলের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝি করে ঘটনাস্থলে আপোস করেন।
| | প্রকাশক ও সম্পাদক : আব্দুল্লাহ আল মামুন, ||