সাবেক সেনা কর্মকর্তা অভিনেতা খলিল
এ দেশে চলচ্চিত্রের বুনিয়াদ মজবুত করেছিলেন
প্রাণের বাংলাদেশ ডেস্ক:
খলিল উল্যাহ খান ১৯৫২ সালে সহকারী এডজুটেন্ট হিসেবে আনসার বাহিনীতে যোগ দেন। ১৯৫৮ সালে তিনি পটুয়াখালী মহকুমার গলাচিপা থানায় কমরত ছিলেন। আইয়ুব খান এর সামরিক আইন জারি করার পর এই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গম আত্মসাৎ করায় খলিল উল্যাহ খান তাকে হাতে নাতে ধরে ফেলেন। সেই চেয়ারম্যান তার বিরুদ্ধে শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে ফৌজদারি মামলা রুজু করলে তিনি চাকুরী থেকে সাময়িক বরখাস্ত হন। অভিনয় করার নেশা তাঁর আগে থেকেই ছিলো। চাকুরী থেকে সাসপেন্ড হয়ে তিনি চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন। তাঁর প্রথম ছবি সোনার কাজল। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি তিনি টেলিভিশন নাটকেও নিয়মিত অভিনয় করেছেন। দীর্ঘদিন পর তিনি চাকুরীতে পুনর্বহাল হন এবং মহকুমা এডজুটেন্ট হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। কিন্তু ততদিনে তিনি এ দেশের জনপ্রিয় অভিনেতা হিসেবে খ্যাত হয়েছেন। ১৯৯০ সালে আনসার বাহিনী থেকে অবসর নিলেও তাঁর শিল্পী জীবনের ধারাবাহিকতায় কোন ছেদ পড়েনি। সাংগঠনিক ভাবেও তিনি ছিলেন সফল ব্যক্তিত্ব। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি সহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৪ সালের ৭ ডিসেম্বর প্রয়াত হন খলিল উল্যাহ খান। চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশনের গুণী অভিনয় শিল্পী খলিল উল্যাহ খানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রার্থনা করি, মহান আল্লাহ যেন তাঁকে বেহেশত নসীব করেন।
| | প্রকাশক ও সম্পাদক : আব্দুল্লাহ আল মামুন, ||