তুরাগ তিতারকুল বাজার হাড়িনাল রোড গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন গাজীপুর। নিবন্ধন নং ১ গণপ্রজাতান্ত্রিক বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত একটি আধুনিক অত্যন্ত সুন্দর মনোরম পরিবেশে মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র
বাংলাদেশের মত একটি দরিদ্র দেশে মাদকাসক্তের অহংকার অর্ধ কোটিরও বেশি । যা আমাদের যুব সমাজ, স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রীদের এক ভয়াবহ অন্ধকার জগতে ঠেলে দিচ্ছে, এ সমস্যা মোকাবেলায় ভূমিকা রাখতে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে তুরাগ মাদকাসক্ত পূর্ণবাসন কেন্দ্র গাজীপুর জেলায় সর্ববৃহৎ পরিসরে পথভ্রষ্ট মাদক সেবীদের চিকিৎসা প্রদান করে আসছে। মাদকের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে ঔষধ। যে সমস্ত প্রাকৃতিক দ্রব্য বা রাসায়নিক দ্রব্য ( ঔষধ ) গ্রহণ করার ফলে ব্যক্তির মনের চিন্তা চেতনা মনের অনুভূতি স্বাভাবিক অবস্থা থেকে অস্বাভাবিক অবস্থায় রূপান্তরিত হয়, এক কথায় তাকে আমরা মাদক বা মনক্রিয় দ্রব্য বলতে পারি, মনক্রিয় দ্রব্য বা মাদকদ্রব্য ব্যবহার গ্রহনের ফলে মানসিক ও শারীরিক নির্ভরশীলতা সৃষ্টি হয় এবং সেই দ্রব্যের প্রতি তীব্র আকর্ষণ ও গ্রহণের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকে, সেই অবস্থাকেই মাদকাসক্তি বলে, মাদক গ্রহণের ফলে সাময়িক স্বস্তি ও আনন্দ পাওয়া গেলেও এই ক্ষণস্থায়ী স্বাস্হি ও আনন্দের আড়ালে আছে ভয়ংকর ফাদ, যা ধীরে ধীরে মানুষকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে, আপনার পরিবারের কেউ কেউ কি মাদকাসক্ত, মাদকাসক্ত ব্যক্তির প্রাথমিক লক্ষণ মিথ্যা বলা। আর্থিক চাহিদা বৃদ্ধি, প্রতারণা করা, অনেক রাত পর্যন্ত জেগে থাকা, বা সকালে ঘুম থেকে দেরিতে ওঠা, বাথরুমে বেশি সময় কাটানো, হাতে পোড়া দাগ এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে সূচ ফোটানোর দাগ, অনিয়মিত খাওয়া দাওয়া এবং অরুচি প্রয়োজনের তুলনায় কথা কম বলা বা বেশি কথা বলা , কারণে অকারনে রাগ করা, পারিবারিক কলহ সমাজে বিশৃঙ্খলা, হতাশা বিষন্নতায় ভোগা, মাঝে মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা, একজন একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তির জন্য কেন দীর্ঘ মেয়াদী চিকিৎসা পরিষেবার প্রয়োজন? একজন মাদক নির্ভরশীল ব্যক্তি দীর্ঘদিন মাদক ব্যবহারের ফলে শারীরিক অসুস্থতার পাশাপাশি ব্যক্তির মানসিক ক্ষতি বেশি বিদ্যমান হয় যেমন, ব্যক্তির আচরণের পরিবর্তন, নৈতিক অবক্ষয়, এলোমেলো চিন্তাভাবনা সহ বিভিন্ন মানসিক সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে, বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে ব্যক্তির ঔষধ নির্ভর চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যক্তির সার্বিক চিকিৎসায় খুব সামান্য ভূমিকা রাখে, সল্প মেয়াদি শুধু শারীরিক চিকিৎসা গ্রহণের ফলে ব্যক্তি পুনরায় আবার মাদকের কাছে ফিরে যায়, তাই ব্যক্তির শারীরিক চিকিৎসার পাশাপাশি প্রয়োজন বিভিন্ন মনো সামাজিক শিক্ষা গ্রহণ, কাউন্সিলিং মেডিটেশন ইত্যাদি পরিষেবার প্রয়োজন, মাদকাসক্তি চিকিৎসায় কাউন্সিলিং এর ভুমিকা, কাউন্সিলিং হচ্ছে একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, এই চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে রোগীকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার জন্য মোটিভেশন, বা প্রেরণা প্রদান করা হয়, এছাড়া এখন বা দলগত কাউন্সিলিং চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে রোগীদের জিবনের সমস্যাগুলো কাটিয়ে উঠার সিদ্ধান্ত গ্রহণ মানসিক চাপ,হতাশা, দন্দ, দুশ্চিন্তা পরিবার ও সমাজের মানুষের সাথে সুসম্পর্ক উন্নয়ন এবং কর্মময় জীবনে প্রবেশ করানো জন্য দক্ষ পিয়ার কাউন্সিলর ও সাইকোলজিস্ট দ্বারা কাউন্সিলিং প্রদান করা হয়ে থাকে, নিম্ন লিখিত কৌশল গুলি অবলম্বন করে কাউন্সিলিং প্রদান করা হয়, মোটিভেশনাল ইন্টারভিউইয়িং কগনিটিভ বিহেভিয়র থেরাপি, বিহেভিয়র থেরাপি ফ্যামিলি থেরাপি , কপাল কাউন্সিলিং ইত্যাদি, বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের দেশ ও কাউন্সিলিং চিকিৎসা পদ্ধতি রোগীদের চিকিৎসা সেবায় কার্যকর ভূমিকা রাখছে,রোগি ভর্তির পর পরই ডাক্তার ও সাইকোলজিস্ট এর পরামর্শ অনুযায়ী ৭ থেকে ১৪ দিনের একটি শারীরিক চিকিৎসা পরিকল্পনা, গ্রহণ করা হয়, অবস্থা উন্নতির পর সাইকোলজিস্ট এর পরামর্শ অনুযায়ী তার মানসিক যেমন, আচরনিক সমস্যা, জীবন দক্ষতা বৃদ্ধি, বিভিন্ন সুস্থ্য থাকার বিভিন্ন উপায় নিয়ে কাজ করা হয়, যেমন মেডিটেশন মনোসামাজিক ও জীবন দক্ষতা মুলক শিক্ষা প্রদান,ডে ডেইলি ইনভেন্টরী নাইট, শেয়ারিং সহ বিভিন্ন কার্যক্রম হয়ে থাকে, ভর্তিকৃত রোগীর চিকিৎসা পদ্ধতি , রোগীর সমস্যা নিরূপণ, চিকিৎসা পরিকল্পনা, নির্বিষ কারণ, ভিত্তিক চিকিৎসা/ কাউন্সিলিং মনো সামাজিক, ও জীবন দক্ষতা মুলক শিক্ষা,আত্ব সহায়তা মুলক দল, সেবার ধারা বাহিকতা বজায় রাখা, চিকিৎসায় পরিবারের সদস্যদের সম্পৃক্ত করা, আজীবন চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা, চিকিৎসায় কেন আমরা ব্যতিক্রম, তুরাগ তিতারকুল মাদকাসক্ত পুনর্বাসন কেন্দ্রে রয়েছে মাদকদ্রব্য ব্যবহার রোগের বিশ্বজনীন চিকিৎসা পাঠক্রম এর অভিজ্ঞ ট্রেনার এবং ট্রেনি
মানসিক রোগের চিকিৎসক বিভিন্ন শারীরিক রুটিন চেকআপ ও মাদক বিরোধী দিবস, বিভিন্ন দিবসে অংশ গ্রহণ মাদক বিরোধী বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ ও জনসচেতনতা মুলক কার্যক্রম গ্রহণ, মাদকাসক্ত একটি পুনঃ আসক্তি মুলক মস্তিষ্কের রোগ যা বার বার ব্যক্তির মধ্যে দেখা দিতে পারে, এই রোগে পারিবারিক ভূমিকা ও অপরিসীম,এই জন্য চিকিৎসা পরবর্তী সময়ে পরিবারের কেন্দ্রের সাথে যোগাযোগ ও কাউন্সিলিং ব্যক্তির যোগাযোগ ও কাউন্সিলিং এক কথায় বাধ্যতা মূলক, রোগীর চিকিৎসা সেবা হিসেবে এন এ মিটিং এ শেয়ারিং , কাউন্সিলিং, প্রতিষ্ঠানের আয়োযীত, বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ রোগীর পরবর্তী চিকিৎসা সেবা হিসেবে বিবেচিত হয়, যা রোগীর সুস্থতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখে, মাদকাসক্ত সন্তানের জন্য আপনার লজ্জাবোধ, সামাজিক সম্মান হারানোর কথা চিন্তা করে আপনার সন্তানকে চিকিৎসা প্রদান না করা হবে আপনার ভুল সিদ্ধান্ত। আর দেরি না করে এক্ষুনি আপনার মাদকাসক্ত সন্তানকে নিয়ে চলে আসুন, তুরাগ তিতারকুল বাজার হাড়িনাল রোড মাদকাসক্ত পূর্ণবাসন কেন্দ্র, জয়দেবপুর গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন। গাজীপুর।
| | প্রকাশক ও সম্পাদক : আব্দুল্লাহ আল মামুন, ||