
সীমা আক্তার :
জামিয়াতুল আমির হামজা মাদ্রাসা ও এতিমখানার পরিচালক এবং মুক্তিযোদ্ধা ফোর্স বেকারির মালিক মোঃ ইমাম হোসেন, তার নিজের বেকারিতে শিশু শ্রমিক দিয়ে কাজ করাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে কোন সাংবাদিক কিংবা মানবাধিকার কর্মী কারখানা পরিদর্শন করলে বেকারির মালিক মোঃ ইমাম হোসেন নিজেকে জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদের সাংবাদিক বলে পরিচয় দেয়। নিজের অন্যায় আড়াল করতে সকলের সাথে বাজে ব্যাবহার করে। অনেককে আবার টাকা পয়সা দিয়ে ম্যানেজ করে বলে জানা যায়। সে নিয়মিত সংশ্লিষ্ট থানার কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে তার ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মরকুন, মোল্লা গ্যারেজ মাস্টারপাড়া, টঙ্গী গাজীপুর মুক্তিযোদ্ধা ফোর্স বেকারিতে অপ্রাপ্ত বয়সের শিশুদের সল্প বেতন দিয়ে চালাচ্ছে বেকারি। দীর্ঘদিন যাবৎ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিভিন্ন প্রকার খাবার সামগ্রী তৈরি করে আসছে এবং বাজারজাত করছে এ বেকারিটি।
যে সময়ে শিশুদের বই খাতা কলম নিয়ে স্কুলে যাওয়ার কথা সেই সময়ে বহু শিশুরা শিশুশ্রমে জড়িয়ে পড়ছে। দরিদ্রতার কারণসহ অসচেতনতার জন্য দিন দিন শিশু শ্রমিকের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ফলে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে প্রজন্মের ভবিষ্যত।
তাদের শরীর এখন আগুনের চুলার তাপে আধো সিদ্ধ। সরকারের বিধি নিষেধ কতটুকু মেনে চলেছে মুক্তিযোদ্ধা ফোর্স বেকারি? শিশুশ্রমিক সহ কয়েকজন খালি গায়ে খালি হাতেই নিম্নমানের খাবার তৈরি ও বাজারজাত করার জন্য প্যাকেট করছে। এটা কতটুকু স্বাস্থ্যসমত খাবার জানা নেই শিশুদের। কারখানায় কর্মরত শিশু শ্রমিকরা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কাজ করে। বিনিময়ে পারিশ্রমিক হিসাবে বেতন মাত্র কয়েক হাজার টাকা।
এ ব্যাপারে বেকারির মালিক মোঃ ইমাম হোসেন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করে বলেন, আমার বেকারিতে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর কোনও পরিবেশ নেই তাছাড়া শিশুশ্রমও নেই। এদিকে নোংরা পরিবেশে তৈরি বেকারি গুলোর অস্বাস্থ্যকর খাবারের বিষয়ে নিশ্চিত করে গাজীপুর জেলার টঙ্গী থানার শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মোঃ তারিক হাসান জানান শীতকালীন অসুস্থতা থেকে শুরু করে ডায়রিয়া, আমাশয়, পেটব্যথা, চর্মরোগ, এলার্জি শ্বাসকষ্ট সবকিছুর মূলে রয়েছে অস্বাস্থ্যকর মুখরোচক এ সকল খাবার।
এ বিষয়ে জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদের সম্পাদকের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, মোঃ ইমাম হোসেন নামে আমার কোন প্রতিনিধি নাই। আপনারা তার ছবি দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে মুখোশ উন্মোচন করেন।
| | প্রকাশক ও সম্পাদক : আব্দুল্লাহ আল মামুন, ||