সুজন রানাঃ
প্রতারক মোছাঃ তাসলিমা খাতুন, বয়স ২৮, পিতা- মোঃ সেলিম উদ্দিন, স্বামী মোঃ কামরুল হোসেন, ঠিকানা- গাজীপুর শিমুলতলী গাজীপুর, ঢাকা ।
ভুক্তভোগী মোঃ জসিম উদ্দিন বাড়ি নোয়াখালী, তিনি একজন দুবাই প্রবাসী প্রতারক মেয়েটি তার সম্পর্কে চাচাতো বোন হয়, বিয়ের পূর্বে মেয়েটির সাথে ছেলেটির ভালো সম্পর্ক ছিল কিন্তু মেয়েটি বিয়ের পর ছেলেটি বিদেশ চলে গেলে মেয়েটি ছেলেটিকে বারবার মোবাইল ফোনে ডিস্টার্ব করে বলে যে আমার স্বামীর সঙ্গে আমার সময় ভালো কাটছে না আমি এর সংসার করবো না ভাই, আমি তোমারে ভালবাসি, আমি তোমারে বিয়ে করতে চাই, ছেলেটি বারবার তারে বলে তোর তো বিয়ে হয়েছে তাহলে আমাকে বিয়ে করবি কেমনে, মেয়েটি বলে আমি আমার স্বামীকে ডিভোর্স দিব, এই বলে বিভিন্ন সময় শপথ করে বিভিন্ন ভাবে প্রতিজ্ঞা করে তারপরেও ছেলেটি তার কথায় রাজি হয় না কিন্তু মেয়েটি আত্মহত্যা করার হুমকি দেয় সেই কারণে ছেলেটি তার সঙ্গে কথা বলতে বাধ্য থাকে।
একপর্যায়ে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে দুজনা। ছেলেটির কাছ থেকে প্রতারক তাসলিমা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে মোট অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। শেষ পর্যায়ে বিষয়টি প্রতারকের স্বামী জানতে পারে তারপরেও মেয়েটিকে কিছুই বলে না মেয়েটি তার মোটা অংকের টাকা তার স্বামীকে ভুক্তভোগী জসীমউদ্দীনের নিকট থেকে নিয়ে দেয় বিভিন্ন সময় তাসলিমা তারে অশ্লীল ভিডিও ও ছবি পাঠায় ভিডিও কলে ভিডিও করে তাসলিমা ভুক্তভোগীরে তার দেহের সর্বাঙ্গ দেখায় এবং তারে স্বামী স্বীকার করে এ ধরনের কার্যকলাপ করে বিভিন্ন সময় ভুক্তভোগী জসিমের নিকট থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। বিষয়টি মেয়ের পরিবার ও তার স্বামীর পরিবার পূর্ব থেকেই জানে এখন ছেলেটি দেশে এসে তারে বিয়ে করতে চায় কিন্তু মেয়েটি বিষয়গুলো অস্বীকার করে ছেলেটি তার পরিবারকে জানালে তার পরিবারের লোকজন ছেলেটিকে মারার হুমকি প্রদান করে। এমনকি এ বিষয়টি একটি ভিডিও হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেয়েটির বাবা মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন তাই ছেলেটির দাবি তার নিকট থেকে নেওয়া লক্ষ লক্ষ টাকা ফেরত চাই এবং তার বিরুদ্ধে মিথ্যা হয়রানি মুলক মামলা ও জিডি যেন উঠিয়ে নেওয়া হয়।
| | প্রকাশক ও সম্পাদক : আব্দুল্লাহ আল মামুন, ||